Friday, 27 May 2022

জঘন্য যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী পুতিন : ট্রুডো

Editor: CanBangla
Tuesday, 10 May 2022 38

অনলাইন ডেস্ক : ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানে হওয়া ‘জঘন্য যুদ্ধপরাধের জন্য’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। রোববার (৮ মে) এক অঘোষিত সফরে ইউক্রেনে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ইউক্রেন সফরের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকও করেছেন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডর প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘জঘন্য যুদ্ধাপরাধের জন্য যে ভ্লাদিমির পুতিন দায়ী, এটি স্পষ্ট। এখানে অবশ্যই জবাবদিহিতা থাকতে হবে।’

এর আগে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পার্শ্ববর্তী ইরপিনে সফর করেন ট্রুডো। সেখানকার মেয়র জানান, গত মার্চ মাসে রুশ সামরিক বাহিনী ইরপিন দখল করার আগে ইউক্রেনীয় ও রুশ বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ লড়াইয়ে এটি বিধ্বস্ত শহরে পরিণত হয়।

এ নিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে ওই সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, ‘আমি নিজের চোখে রাশিয়ার অবৈধ এই যুদ্ধের বর্বরতা প্রত্যক্ষ করেছি।’ এসময় রাজধানী কিয়েভে কানাডার দূতাবাসের কার্যক্রম ফের চালুর ঘোষণা দেন তিনি।

পৃথক এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাজধানী কিয়েভে ওই সংবাদ সম্মেলনে ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র ও সামরিক সহায়তার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সেখানে তিনি বলেন, ‘আজ আমি ইউক্রেনের জন্য আরও সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিচ্ছি। এর মধ্যে ড্রোন ক্যামেরা, স্যাটেলাইট ইমেজ, ছোট অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং ডিমাইনিং অপারেশনের জন্য অর্থসহ অন্যান্য সহায়তা রয়েছে।’

এদিকে ইরপিনের মেয়র ওলেক্সান্ডার মার্কুশিন একটি অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর ছবিসহ বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের শহরে রুশ দখলদাররা যে ভয়াবহতা দেখিয়েছে তা নিজের চোখে দেখতে ইরপিনে এসেছিলেন তিনি (ট্রুডো)’।

এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরপিন সফর করায় জাস্টিন ট্রুডোকে ধন্যবাদও জানান মেয়র ওলেক্সান্ডার মার্কুশিন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের প্রতি কানাডা আজ যে সমর্থন দেখিয়েছে তার জন্য কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

তিনি আরও বলেন, ‘(রাশিয়ার বিরুদ্ধে) আমাদের বিজয়ের পর ইউক্রেনীয় শহরগুলোর পুনর্গঠনের জন্য উভয় দেশের মধ্যে অব্যাহত সহযোগিতায় বিশ্বাস করি আমরা।’